History Of Sudargonj Pourasava


সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা অবস্থান, নামকরণ, প্রতিষ্ঠাকাল, জনসংখ্যাসহ বিভিন্ন তথ্য


এলাকা এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে গাইবান্ধা জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা হচ্ছে সুন্দরগঞ্জ। উপজেলার নামকরণের ব্যাপারে বিভিন্ন রকম মতামত আছে। কিছু মানুষের মতে, অতীতে গোপাল রয় বাহাদুর নামে একজন রাজা বাস করতেন এবং তার ছেলে সুন্দর রয় এর নামানুসারে সুন্দরগঞ্জ জায়গার নামকরণ করা হয়। অন্য একদল মানুষ বিশ্বাস করেন যে, ব্রিটিশ আমলে সুন্দরগঞ্জ এর বর্তমান স্থান সুন্দর স্থাপনা এবং আবাসিক বসতবাড়ির পাশাপাশি একটি বিশিষ্ট বাণিজ্য কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠেছিল। সাধারনত এটি বিশ্বাস করা হয় এই জায়গার নামকরণ এই বাণিজ্য কেন্দ্রের দুইটি শব্দ ’সুন্দর’ ও ’গঞ্জ’ থেকে করা হয়েছে এবং এই জায়গার সুন্দর অর্থ থেকে সুন্দরগঞ্জ নামটি এসেছে।
সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা ২০০৩ সালের ৩০ জুলাই ’গ’ শ্রেণী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বর্তমানে ’খ’ শ্রেনীর পৌরসভা (আগষ্ট ২০১৫ তে ‘খ’ শ্রেণীতে উন্নীত হয়) যেটি কিনা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর। ৬.০৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা- উত্তরে তারাপুর ইউনিয়ন, দক্ষিণে দহবন্দ ইউনিয়ন, পূর্বে বেলকা ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে সোনারায় ইউনিয়ন দ্বারা বেষ্টিত।
বিবিএস, ২০০১ অনুসারে, সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার জনসংখ্যার ৫২% পুরুষ ও ৪৮% নারী এবং জনসংখ্যাার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১,২৬১ জন। এই এলাকার মোট বাড়ির সংখ্যা ৬,৩১৬ টি। ২০১১ সালের বাংলাদেশের আদমশুমারি অনুসারে (২০১২ সালে প্রকাশিত), সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার জনসংখ্যা ১৭,১৬৮। এদের মধ্যে ৪৯.৮৫% হচ্ছে পুরুষ ও ৫০.১৫% হচ্ছে নারী। মোট বাড়ির সংখ্যা ৪,২৫২ টি, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার জনসংখ্যাার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৬,৩৩৫ জন এবং নারী পুরুষের অনুপাত ৯৯।
সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকায় দুইটি হাট, একটি বাসষ্ট্যান্ড,সরকারী অফিস, কিছু ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান আছে। এছাড়া পৌর এলাকায় মোট ৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪ টি উচ্চ বিদ্যালয় , ৩ টি কলেজ, ৫ টি মাদ্রাসা, ১টি মিলনায়তন, ১টি পুলিশ ষ্টেশন, ২১টি মসজিদ, ৮টি মন্দির, ৮টি ঈদগাহ আছে। পৌর এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহমান তিস্তা নদী সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মাথা পিছু গড় আয় ১০০০০ টাকা মাত্র।

Copyright © 2018 Sundarganj Pourasava. All rights reserved.